বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম পোশাক রফতানিকারক বাংলাদেশের শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোকে সার্কুলারিটি মডেলে রূপান্তরের যাত্রা শুরু করার জন্য প্রস্তুত হচ্ছে। বর্তমানে ‘সার্কুলারিটি’ বাংলাদেশে পরিবেশগত প্রভাব হ্রাস, অর্থনৈতিক কর্মদক্ষতা উন্নয়ন এবং সামাজিক সুবিধা তৈরি প্রভৃতি ক্ষেত্রগুলোয় উল্লেখযোগ্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। বাংলাদেশের পোশাক শিল্পে সার্কুলারিটি গ্রহণের ক্ষেত্রে বেশকিছু চ্যালেঞ্জও আছে, যেগুলো সম্মিলিতভাবে বিবেচনা এবং সমাধান করা আবশ্যক।

সমাধানের বিষয়ে আলোচনা করতে গতকাল রাজধানীর একটি হোটেলে শিল্প নেতা, নীতিনির্ধারক এবং সার্কুলার অর্থনীতির বিশেষজ্ঞদের একটি প্যানেল ‘আপস্ট্রিম সার্কুলারিটি ডায়ালগ: বাংলাদেশে প্রাক-ভোক্তা টেক্সটাইল বর্জ্য’ শীর্ষক এক সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়। সংলাপে ব্র্যান্ড, প্রস্তুতকারক, নীতিনির্ধারক এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন গ্রুপে অংশ নেন। উদ্বোধনী অধিবেশনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এবং প্রধানমন্ত্রীর জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক বিশেষ দূত সাবের হোসেন চৌধুরী এমপি।

ইপেপার পড়তে এখানে ক্লিক করুনঃ